পর্ব- ৪ঃ চলুন গবেষণার টপিক নির্বাচন করি

গবেষনা শুরু করার অন্যতম একটি ধাপ হলো নিজের ইন্টারেস্ট এবং প্যাশন অনুযায়ী টপিক নির্বাচন করা। আমি অনেককেই দেখেছি টিচার বা বড়ভাইয়ের কথা অনুযায়ী কোনো একটা টপিক নিয়ে কাজ শুরু করে এবং পরবর্তীতে নিজের মন থেকে না আসার কারনে সেটি নিয়ে আর কাজ করা হয়ে ওঠে না।

নিজের ইন্টারেস্ট এবং আসক্তি অনুযায়ী টপিক নির্বাচন করলে একদিকে যেমন নিজের কাজের প্রতি অন্যরকম সম্মান এবং ভালোবাসা থাকে, ঠিক একইবাবে সেটি হয়ে ওঠে একটি কোয়ালিটিফুল রিসার্স ওয়ার্ক যা আপনার জন্য অনেক বড় একটা আ্যাচিভমেন্ট হতে পারে।

তাই আমি বলবো রিসার্স করার জন্য একটি উপযুক্ত এবং মানসম্মত টপিক নির্বাচন করতে হবে। মূলত এই কারনেই উপরে আমার এই গবেষনার সচরাচর ফিল্ডগুলো নিয়ে মোটামুটি পরিসরে লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা চাইলে পূর্বের চ্যাপ্টার থেকে সচরাচর গবেষনার ফিল্ড এবং টপিক সাম্পর্কে ধারনা নিতে পারেন এবং সে অনুযায়ী কাজ শুরু করে দিতে পারেন।

মনে করি আপনি আমার বর্ণনা দেয়া ফিল্ডগুলো থেকে সংক্ষিপ্ত ধারণা নিয়ে এনএলপি বা ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং ফিল্ডে কাজ করবেন ভেবেছেন।

এখন আপনার কাজ হবে, এনএলপির সকল সাব-টপিক সম্পর্কে ওয়েব সার্স করে ধারণা নিয়ে প্রবলেম আইডেন্টিফাই করা এবং সেগুলোর সলভিং অ্যাপ্রোচ খেয়াল করা। এভাবে এখান থেকেই একটি টপিক সিলেক্ট করতে পারেন এবং শুরু করে দিতে পারেন আপনার গবেষনার কাজ।

এছাড়াও রিসার্স পেপার পড়ে কিভাবে টপিক সিলেক্ট করবেন সেটি নিয়ে পরবর্তী পেইজে আলোচনা করবো।